দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কেরালার রাজনৈতিক মঞ্চে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। ফাতিমা থাহিলিয়া—একটি নাম, যা এখন ইতিহাসের অংশ। আইইউএমএলের প্রথম নারী বিধায়ক হিসেবে বিজয়ী হয়ে তিনি শুধু জয়ই পাননি, ভেঙেছেন দীর্ঘদিনের বাধা এবং হারিয়েছেন ক্ষমতাসীন বাম জোটের এক প্রভাবশালী নেতাকে। যা ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, কোজিকোড় জেলার পেরাম্বরা আসনে তিনি কেরালার শাসকদল বাম গণতান্ত্রিক জোটের (এলডিএফ) সমন্বয়ক ও সিপিআই (এম) প্রার্থী টিপি রামকৃষ্ণনকে পরাজিত করেন। ১৯৮০ সাল থেকে এই আসনটি সিপিআইয়ের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল।
আইনজীবী ও কোজিকোড় পৌরসভার কাউন্সিলর ফাতিমা থাহিলিয়ার এই জয়কে রাজনৈতিক মহল বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখছে। দীর্ঘদিন ধরে বামদের দখলে থাকা আসনে এই পরিবর্তন কেরালার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।
নির্বাচন চলাকালে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউডিএফ) অভিযোগ করেছিল, এলডিএফ তাদের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক প্রচারণা চালিয়েছে। বিষয়টি তারা নির্বাচন কমিশনেও উত্থাপন করে।
আইইউএমএল থেকে মোট ২৭ প্রার্থীর মধ্যে ফাতিমা থাহিলিয়াসহ মাত্র দুইজন নারী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। দলটির ইতিহাসে এর আগে মাত্র দুইজন নারী প্রার্থী মনোনয়ন পেলেও কেউই জয়ী হতে পারেননি।
ছাত্ররাজনীতির মধ্য দিয়ে ফাতিমা থাহিলিয়ার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। তিনি মুসলিম স্টুডেন্টস ফেডারেশনের (এমএসএফ) নারী সংগঠন ‘হারিতা’-র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। ২০১২ সালে গঠিত এই সংগঠন আইইউএমএল সমর্থক নারী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে। তার নেতৃত্বে হারিতা কলেজ ক্যাম্পাসে আইইউএমএলের প্রভাব বিস্তারে বড় ভূমিকা রাখে।
বর্তমানে তিনি আইইউএমএলের যুব সংগঠন মুসলিম ইয়ুথ লিগের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
কেএম/কে